এরই ধারাবাহিকতায় সুন্দরবনে সক্রিয় আলিফ বাহিনীর অংশবিশেষের ১৫ জন আত্মসমর্পণ করেন। তাদের মধ্যে আব্দুল্লাহ গ্রুপের ৮ জন এবং মজিদ গ্রুপের ৭ জন রয়েছেন।
এসআরবি-৬-এর মতে, এ আত্মসমর্পণের ফলে সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি বনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ অন্যান্য বনজীবীর নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুন্দরবনকে দস্যুদের অপতৎপরতা থেকে মুক্ত রাখা এবং বননির্ভর জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
এসআরবি-৬-এর মিডিয়া সেল জানিয়েছে, আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।