জাকার্তায় দলের অনুশীলন শেষে নিজের ফেরা ও প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন শমিত। তিনি বলেন, ‘কয়েক মাস পর আবারও সবার সঙ্গে খেলতে খুব ভালো লাগছে।
আসন্ন আসিয়ান কাপের জন্য ঘোষিত দলে এবার ফারহান আলী ওয়াহিদের মতো বেশ কয়েকজন নতুন মুখ ডাক পেয়েছেন। নতুন সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করে মুগ্ধ শমিত বলেন, ‘দলে নতুন খেলোয়াড় এসেছে, তাদের সঙ্গে দেখা করে এবং প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অনুশীলন করে আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি বেশ ইমপ্রেসড। তারা সবাই আমাদের দলে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে, ফলে আমাদের স্কোয়াড আরও উন্নত হবে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতা বাড়বে।’
দলের সবার লক্ষ্য যে অভিন্ন, সেটি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই বাংলাদেশের জন্য ভালো করা, ম্যাচ জেতা এবং ভালো ফুটবল খেলা।’
ফিফা আসিয়ান কাপকে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য বড় একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন এই তারকা। বড় মঞ্চে লড়াই করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এটি খুব বড় একটি টুর্নামেন্ট, একটি ফিফা ইভেন্ট। নিজেদের প্রমাণ করার জন্য বাংলাদেশের সামনে এটি দারুণ একটি সুযোগ যে, আমরাও উচ্চ পর্যায়ে খেলতে পারি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা ভালো পারফর্ম করতে পারব। বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়াটা খুবই এক্সাইটিং একটি ব্যাপার।’
জাতীয় দলের পাশাপাশি সম্প্রতি ক্লাব ফুটবলেও নতুন এক অধ্যায় শুরু করেছেন শমিত। যুক্তরাষ্ট্রে নিজের বর্তমান সময় ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমর্থন নিয়ে তিনি বলেন, ‘গত দুই-তিন মাস ধরে নতুন একটি জার্নি শুরু করেছি, যেটা বেশ ভালোই চলছে। নিয়মিত মাঠে খেলতে, ফিটনেস বাড়াতে এবং নিজের শার্পনেস ধরে রাখতে আমার ভালো লাগছে। নিউজার্সি, নিউইয়র্ক এবং প্যাটারসনে বিশাল এক বাংলাদেশি কমিউনিটি আছে, যারা আমাকে বেশ সাপোর্ট করছে। সব মিলিয়ে এই নতুন জার্নিটা দারুণ উপভোগ করছি।’