ব্যস্ত কর্মজীবনে সব সময় তা সম্ভব না হলেও কিছু সহজ খাবার সঙ্গে রাখলে ক্ষুধা সামলানোর পাশাপাশি শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পাওয়া যেতে পারে। এমন খাবার বেছে নেওয়া ভালো, যেগুলো বহন করা সহজ এবং কাজের ফাঁকে দ্রুত খেয়ে নেওয়া যায়। অফিসের টিফিনে ডিম হতে পারে সহজ ও পুষ্টিকর একটি খাবার। সেদ্ধ ডিম, অমলেট কিংবা পোচ, নিজের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনোভাবে খাওয়া যায়। এর মধ্যে সেদ্ধ ডিম সবচেয়ে সহজ। সকালে বের হওয়ার আগে একটি ডিম সেদ্ধ করে সঙ্গে নিয়ে গেলেই হলো। ডিমে থাকা প্রোটিন দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। ফলে কাজের মাঝখানে অস্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝোঁকার প্রবণতাও কমতে পারে। ব্যস্ততার মধ্যেও এটি খেতে খুব বেশি সময় লাগে না। কাজের ফাঁকে দ্রুত খেয়ে নেওয়ার জন্য কাঠবাদামও বেশ সুবিধাজনক। অফিসের ড্রয়ারে একটি ছোট কৌটায় কয়েকটি কাঠবাদাম রেখে দিতে পারেন। চাইলে প্রতিদিনের জন্য পরিমাণমতো বাদাম ব্যাগেও রাখা যায়। কাজের বিরতিতে কয়েকটি কাঠবাদাম খেলে ক্ষুধা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও খাদ্যতালিকায় যোগ হয়। তবে বাদাম পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো। অফিসের টিফিনে রাখতে পারেন শসাও। এতে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় শরীরকে আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এতে ফাইবার রয়েছে, যা কিছুটা সময় পেট ভরা রাখে। কাজের ফাঁকে কয়েক টুকরো শসা খেলে একদিকে যেমন হালকা ক্ষুধা মেটানো যায়, অন্যদিকে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা বাইরের খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমতে পারে। শসা ধুয়ে কেটে একটি বক্সে করে অফিসে নিয়ে যাওয়া যায়, তাই প্রস্তুত করতেও বেশি সময় লাগে না। কাজ যতই থাকুক, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা অভ্যাসে পরিণত করা ঠিক নয়। সময়ের অভাব থাকলে এমন খাবার বেছে নেওয়া যেতে পারে, যা সহজে বহন করা যায় এবং অল্প সময়েই খাওয়া সম্ভব। ডিম, কাঠবাদাম বা শসার মতো সহজ খাবার টিফিনে রাখলে ব্যস্ত কর্মদিবসেও খাবারের প্রতি কিছুটা নজর দেওয়া সহজ হবে।