সোমবার (২৭ অক্টোবর) সিটি ইউনিভার্সিটির কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি আরও বলেন, রোববার রাতে থুতু ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ড্যাফোডিল ও সিটি ইউনিভার্সিটির দুজন শিক্ষার্থীর মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। রাত ১০টার দিকে বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়। কিন্তু এরপর রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত ড্যাফোডিলের অসংখ্য দুষ্কৃতকারী শিক্ষার্থী আমাদের ক্যাম্পাসে হামলা চালায়। তারা প্রধান ফটক, সীমানা প্রাচীর, ক্লাসরুম ও অফিস কক্ষ ভাঙচুর করে। প্রায় ১৩টি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা কোনো সহযোগিতা করেনি। হামলায় আমাদের ২৫-২৬ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, আরও প্রায় শতাধিক আহত। তারা শিক্ষার্থীসুলভ আচরণ করেনি। ভাঙচুরের সময় আমাদের শিক্ষার্থীরা ১১ জনকে আটক করে। প্রশ্ন হচ্ছে, একজন প্রকৃত শিক্ষার্থী কি ল্যাপটপ, কম্পিউটার, এসি চুরি করতে পারে? আমরা চাই আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হোক। তা না হলে আইনের আশ্রয় নেব। হামলায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তিনি বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আজকের জন্য সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সিন্ডিকেট সভা শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।