এদিন অনশনরত ছাত্রনেতা দেবেন্দ্র মাহাতোও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে না গিয়ে বিকল্প পথে আন্দোলন এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
আন্দোলনকারীদের অন্যতম নেতা রবীন্দ্র পাসওয়ান জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। এখনও ছয়জন আন্দোলনকারী অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
এদিকে আন্দোলনের চাপের মধ্যেই সিআইডির সমন পাওয়ার পর রোববার জেপিএসসির তিন সদস্য পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। এর আগে গত ২২ জুলাই কমিশনের চেয়ারম্যান এল খিয়াংতে পদত্যাগ করেছিলেন।
এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা বাবুলাল মারান্ডি। তার অভিযোগ, জেপিএসসি ও জেএসএস সব পরীক্ষার কথিত অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের দাবির বিষয়ে সরকার এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। তার দাবি, গত ১৪-১৫ দিন ধরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন অনশন করছেন এবং অসুস্থ হয়ে অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মারান্ডি আরও অভিযোগ করেন, বিরোধী বিধায়করা পরীক্ষার কথিত অনিয়ম এবং সিবিআই তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে আটকে দেওয়া হয়। পরে বিধানসভায় বিষয়টি উত্থাপনের চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয়। সরকারের এই আচরণকে তিনি ‘স্বৈরাচারী’ বলে মন্তব্য করেন।
যদিও মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, পরীক্ষায় অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, এই ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপও ক্রমশ বাড়ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিজেপি নেতারাও বিক্ষোভ করেন।