সংবাদ সম্মেলনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বিচারিক কার্যক্রমে গতি আনা, পরিবেশ সংরক্ষণে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বৈদ্যুতিক বাস চালুর উদ্যোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ এবং অপচয় রোধে মন্ত্রিসভার সদস্যদের বিশেষ সুবিধা পরিহারের মতো উদ্যোগ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কৃষক, নারী, শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, ক্রীড়াবিদ ও প্রবাসীদের জন্য পৃথক সুবিধা চালুর পাশাপাশি ভবিষ্যতে সমন্বিত ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতেও বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
মাহ্দী আমিন বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি এবং ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে দেশের মর্যাদা আরও সুসংহত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে তিনি বলেন, মাত্র ১৫০ দিনে সরকার শুধু তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান করেনি; বরং একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। ভবিষ্যতেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে একই উদ্যম ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করবে সরকার।