জানা নিউজ

বিশ্বকাপের ফাইনালে থাকছে বিশ্বখ্যাত তারকাদের চোখ ধাঁধানো ঝলক

মাঠের লড়াইয়ে একদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে লামিনে ইয়ামালের স্পেন। তবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে শুধু ফুটবলই নয়, থাকছে চোখ ধাঁধানো বিনোদনের ঝলকও।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম রোববার পরিণত হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিনোদন মঞ্চে।মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অনুষ্ঠিত হওয়া ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচ শেষে এবার মিলবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়নের দেখা।

তবে শিরোপা নির্ধারণের আগে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শক এবং বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর জন্য থাকছে তারকাখচিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বিরতির বিশেষ আয়োজন।উদ্বোধনী পর্বে থাকছেন হলিউড তারকা টম ক্রুজ। প্যারিস অলিম্পিক থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের পতাকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে দুঃসাহসিক উপস্থিতির পর এবার তিনি কী চমক দেখাবেন, তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘ডিজায়ার’-এর শিল্পী রবি উইলিয়ামস, লরা পাউসিনি এবং নিকোল শেরজিঙ্গারও উদ্বোধনী আয়োজনে অংশ নেবেন। এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় রয়েছেন জনপ্রিয় মার্কিন স্ট্রিমার আইশোস্পিড এবং মার্কিন র‌্যাপার পোস্ট ম্যালোন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করবেন অস্কারজয়ী গায়িকা ও অভিনেত্রী জেনিফার হাডসন। ফাইনাল দেখতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও।

তবে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে ম্যাচের মধ্য বিরতির বিশেষ পরিবেশনাকে ঘিরে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এরই মধ্যে এটিকে ‘সর্বকালের সবচেয়ে বড় মঞ্চ’ বলে উল্লেখ করেছেন।

সুপার বোলের বিখ্যাত হাফটাইম শোর আদলে সাজানো এই আয়োজনের সৃজনশীল পরিচালনায় রয়েছেন ব্রিটিশ ব্যান্ড কোল্ডপ্লে-এর প্রধান গায়ক ক্রিস মার্টিন। এই আয়োজনে এক মঞ্চে পারফর্ম করবেন পপ সংগীতের কিংবদন্তি ম্যাডোনা, কানাডিয়ান পপ তারকা জাস্টিন বিবার, দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস এবং বিশ্বখ্যাত কলম্বিয়ান গায়িকা শাকিরা।

বিশ্বকাপজুড়ে আলোচিত শাকিরা ও নাইজেরিয়ার আফ্রোবিটস তারকা বার্না বয়ের যৌথ গান ‘দাই দাই’ ও আবারও শোনা যাবে ফাইনালের মঞ্চে।

এ ছাড়া ভেনেজুয়েলার খ্যাতিমান অর্কেস্ট্রা পরিচালক গুস্তাভো দুদামেল, নিউইয়র্কের একটি কয়ার এবং কোল্ডপ্লে-ও এই বিশেষ পরিবেশনায় অংশ নেবে।

ফিফা জানিয়েছে, পুরো বিরতি নির্ধারিত ১৫ মিনিটের মধ্যেই শেষ করা হবে। এর মধ্যে ১১ মিনিট থাকবে পরিবেশনা, আর বাকি সময় ব্যয় হবে মঞ্চ স্থাপন, সরিয়ে নেওয়া এবং মাঠ প্রস্তুতের কাজে।

উল্লেখ্য, ঠিক এক বছর আগে একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালেও একই ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন হয়েছিল। সেই সময় বিরতির সময় ২৪ মিনিটের কিছু বেশি হয়েছিল। এবার অবশ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পুরো আয়োজন শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফিফা।