অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির স্বাধীনতা রক্ষায় সিপাহী-জনতার ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ও ষড়যন্ত্রকারীরা তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে স্বপরিবারে গৃহবন্দি করেছিল।
একটাই পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশি’
দেশের নাগরিকদের পরিচয়ের বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কিংবা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী—সবার একটাই গর্বিত পরিচয়, ‘আমরা বাংলাদেশি’। এই পরিচয়ই আমাদের ঐক্যবদ্ধ জাতিতে পরিণত করেছে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের গুরুত্ব ও তাৎপর্য প্রাসঙ্গিক থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একটি জাতির ইতিহাস কেবল অতীতের স্মৃতিচারণ নয়, এটি আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা। তিনি তরুণদের মেধা ও সম্ভাবনা বিকাশে বর্তমান সরকারের বদ্ধপরিকর হওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতার মূল মন্ত্রকে ধারণ করে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকেই দায়িত্ব নিতে হবে।
তারেক রহমান উপস্থিত হাজারো কিশোর-কিশোরী ও তরুণ-তরুণীর উদ্দেশে স্লোগান ধরেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ’। এ সময় পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে উপস্থিত জনতা সমস্বরে বলে ওঠেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উদযাপন কমিটি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর এবং বাংলাদেশ স্কাউটস-এর যৌথ উদ্যোগে এই জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।