বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত, ঢাকায় এই আবেদন করা হয়।
অভিযুক্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন
১. সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় (চেয়ারম্যান ও ট্রাস্টি, সিআরআই এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা)।
৩. রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (ট্রাস্টি, সিআরআই)।
৫. শাব্বির বিন শামস (এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, সিআরআই)।
৭. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া (সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড)।
৮. আ.হ.ম মোস্তফা কামাল (সাবেক অর্থমন্ত্রী)।দুদকের নথিপত্র অনুযায়ী, নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধিত না হওয়া সত্ত্বেও সিআরআই ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিশেষ প্রজ্ঞাপন বা এসআরও জারির মাধ্যমে অবৈধ কর সুবিধা গ্রহণ করে। ২০১৩-২০১৪ করবর্ষ থেকে ২০২৩-২০২৪ করবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন কোম্পানির ওপর চাপ প্রয়োগ করে অনুদান হিসেবে প্রায় ৪৫ কোটি ৩৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা গ্রহণসহ মোট ১০০ কোটি ৩১ লাখ ৪০ হাজার ৮৪৬ টাকা অবৈধভাবে আয় করে প্রতিষ্ঠানটি।
তদন্তে জানা যায়, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ৪৩৯ কোটি টাকারও বেশি অস্বাভাবিক লেনদেন করা হয়েছে এবং ৩৬ লাখ ৫২ হাজার ৭৪২ টাকা আয়কর ফাঁকি দিয়ে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। পরবর্তীতে এই অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও আত্মসাতের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ বিভিন্ন ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়।
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (TIN: ৫৭৫৯৪১৯১৬৩০৪, সার্কেল-১১৬, কর অঞ্চল-০৬, ঢাকা) শুরু থেকে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র জব্দ করা অত্যন্ত জরুরি বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।