আমরা একটি প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক ও নৈতিক রাষ্ট্র গড়তে চাই -প্রধানমন্ত্রী
জেলা প্রশাসক সম্মেলন চার দিনব্যাপী আয়োজন, চলবে ৬ মে পর্যন্ত
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। বক্তব্যে তিনি বলেন, “একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায়ে সরকার গঠনের পর আপনাদের সঙ্গে এটাই আমার প্রথম সভা।” নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের জন্য ধন্যবাদও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, “জনপ্রশাসনের পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব, আপনারা সেটি দেখিয়েছেন। আর যদি কাজ করতে না দেওয়া হয়, তখন কী হতে পারে, সেটিও আমরা অতীতে দেখেছি।” সম্মেলনটি চার দিনব্যাপী আয়োজন, যা চলবে ৬ মে পর্যন্ত। এটি নিয়মিত বার্ষিক আয়োজন হলেও নতুন সরকারের সঙ্গে প্রশাসনের প্রথম আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় হওয়ায় এর গুরুত্ব বাড়তি বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেন। তার ভাষায়, “শুধু পদোন্নতি বা পছন্দের পোস্টিংয়ের জন্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপস করা ঠিক নয়। এতে পুরো প্রশাসনের দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।” তিনি আহ্বান জানান, দেশের যেকোনো জায়গায় যেকোনো দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকতে।
তিনি বলেন, “সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, জনপ্রশাসনের কোনো পদও কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়।” এই মানসিকতা তৈরি হলে প্রশাসনে পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করেন তিনি।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জ নিয়েই সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে। “আপনাদের সহযোগিতায় আমরা অনেকটা পরিস্থিতি বদলাতে পেরেছি, তবে কাজ এখনও বাকি,” বলেন তিনি।
বিশ্ব পরিস্থিতির প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলছে, বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তবে জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি।”
বিশ্লেষকদের মতে, ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রশাসনের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা। পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করেই জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।
সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, মাঠ প্রশাসনের অভিজ্ঞতা এবং নীতিনির্ধারণী বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। প্রশাসন ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাচনী ইশতেহার ও জনগণের সামনে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে টিকে থাকতে জনপ্রশাসনকে প্রযুক্তিনির্ভর ও সময়োপযোগী হতে হবে।
দেশকে বৈষম্যমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা একটি প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক ও নৈতিক রাষ্ট্র গড়তে চাই, যেখানে ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য থাকবে না। আমাদের মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। বক্তব্যে তিনি বলেন, “একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায়ে সরকার গঠনের পর আপনাদের সঙ্গে এটাই আমার প্রথম সভা।” নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের জন্য ধন্যবাদও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, “জনপ্রশাসনের পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব, আপনারা সেটি দেখিয়েছেন। আর যদি কাজ করতে না দেওয়া হয়, তখন কী হতে পারে, সেটিও আমরা অতীতে দেখেছি।”
সম্মেলনটি চার দিনব্যাপী আয়োজন, যা চলবে ৬ মে পর্যন্ত। এটি নিয়মিত বার্ষিক আয়োজন হলেও নতুন সরকারের সঙ্গে প্রশাসনের প্রথম আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় হওয়ায় এর গুরুত্ব বাড়তি বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেন। তার ভাষায়, “শুধু পদোন্নতি বা পছন্দের পোস্টিংয়ের জন্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপস করা ঠিক নয়। এতে পুরো প্রশাসনের দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।” তিনি আহ্বান জানান, দেশের যেকোনো জায়গায় যেকোনো দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকতে।
তিনি বলেন, “সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, জনপ্রশাসনের কোনো পদও কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়।” এই মানসিকতা তৈরি হলে প্রশাসনে পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করেন তিনি।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জ নিয়েই সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে। “আপনাদের সহযোগিতায় আমরা অনেকটা পরিস্থিতি বদলাতে পেরেছি, তবে কাজ এখনও বাকি,” বলেন তিনি।
বিশ্ব পরিস্থিতির প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলছে, বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তবে জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি।”
বিশ্লেষকদের মতে, ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রশাসনের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা। পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করেই জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।
সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, মাঠ প্রশাসনের অভিজ্ঞতা এবং নীতিনির্ধারণী বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। প্রশাসন ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।