ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমানো অবস্থায় স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে স্বামী মোঃ মিরাজ বিশ্বাস (৪০) কে হত্যার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী মোছাঃ সুমাইয়া খাতুনকে (২৫) পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আহত মিরাজ বিশ্বাস শৈলকূপা উপজেলার ১৩ নম্বর উমেদপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আবু বকর বিশ্বাসের ছেলে। অভিযুক্ত সুমাইয়া খাতুন যশোরের দলনগর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে মিরাজের প্রথম স্ত্রী মারা যান। পরে তিনি সুমাইয়াকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর থেকেই সংসারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই কথা কাটাকাটি হতো। মিরাজের আগের পক্ষের সন্তানদের সঙ্গেও সুমাইয়ার বিরূপ আচরণের অভিযোগ রয়েছে। আহত মিরাজ জানান, তিনি গত তিন দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। গত বুধবার সামান্য বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে চড় মারেন। এর জের ধরে গত বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকেস্বামী মিরাজ ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় স্ত্রী সুমাইয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে হত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। মিরাজের চিৎকার শুনে তার বাবা-মা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে শৈলকূপা থানার এসআই জাহাঙ্গীর ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত সুমাইয়া খাতুনকে পুলিশ হেফাজতে নেন। শৈলকুপা থানার ওসি তদন্ত শাকিল আহমেদ জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।