চলতি টুর্নামেন্টে এমবাপ্পে ইতিমধ্যে দুটি অ্যাসিস্ট (গোল করানো) করেছেন, যেখানে মেসির নামের পাশে এখনো কোনো অ্যাসিস্ট নেই। আর এই অ্যাসিস্টের মারপ্যাঁচেই গোল্ডেন বুটের তালিকায় মেসির চেয়ে এগিয়ে আছেন ফরাসি অধিনায়ক।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে অ্যাসিস্টের কারণে গোল্ডেন বুটের ভাগ্য নির্ধারণের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। ২০১০ বিশ্বকাপে থমাস মুলার, ওয়েসলি স্নাইডার, দাভিদ ভিয়া এবং দিয়েগো ফোরলান; সবাই ৫টি করে গোল করে টুর্নামেন্ট শেষ করেছিলেন। তবে বাকিদের চেয়ে বেশি (৩টি) অ্যাসিস্ট থাকায় সেবার জার্মানির মুলার গোল্ডেন বুট জিতে নেন।
যদি খেলোয়াড়দের গোল এবং অ্যাসিস্টের সংখ্যাও সমান হয়ে যায়, তখন ফিফা পরবর্তী টাইব্রেকার হিসেবে ‘মিনিট প্রতি কার্যকারিতা’ বিবেচনা করে। অর্থাৎ, সমতার মধ্যে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে যিনি মাঠে সবচেয়ে কম সময় (মিনিট) খেলেছেন, তাকেই তালিকায় ওপরে রাখা হবে। কম সময়ে বেশি গোল করার দক্ষতাকে পুরস্কৃত করতেই এই নিয়ম।
যেহেতু নকআউট পর্বের কেবল শুরু হলো এবং কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালের মতো হাইভোল্টেজ ম্যাচ এখনো বাকি, তাই গোল্ডেন বুটের লড়াই শেষ হতে অনেক দেরি।
আপাতত ৭ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে এমবাপ্পে। ৭ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মেসি। ৫ গোল করে তালিকার তৃতীয় স্থানে আছেন নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড এবং সমান ৫ গোল নিয়ে তার ঠিক পরেই আছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
তবে কেইনের চেয়ে কম সময় মাঠে খেলায় (দ্বিতীয় টাইব্রেকার নীতিতে) ওপরে জায়গা করে নিয়েছেন হালান্ড। ৪ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট নিয়ে শীর্ষ পাঁচের শেষ স্থানটি ধরে রেখেছেন বর্তমান ব্যালন ডি’অর জয়ী উসমান দেম্বেলে।