দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ ও মামলার দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করা; প্রতিটি হাসপাতালে ‘আর্মড আনসার’ বা সমমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা; হাসপাতালের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি বন্ধ করা এবং সর্বোচ্চ শয্যা সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের বেশি রোগী ভর্তি না করা; পাশাপাশি রোগীর সঙ্গে একাধিক স্বজন বা দর্শনার্থীর অবস্থান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মবিরতি চলবে।
এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোর চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। চিকিৎসাসেবা না পাওয়া এবং নিয়মিত ফাইল না দেখায় উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। চিকিৎসাধীন ঝরনা বেগম ও নিতাই জানান, চিকিৎসকদের কর্মবিরতির কারণে তারা প্রয়োজনীয় সেবা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মনজুর-এ-মোর্শেদ জানান, ঘটনায় ছয়জন চিকিৎসক আহত হয়েছেন। তবে জ্যেষ্ঠ ও মিড-লেভেলের চিকিৎসকদের দিয়ে জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। ঘটনার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ছাত্রদল নেতাসহ রোগীর স্বজন ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছয়জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।