ডিবি জানায়, রায়হানকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেমরার ডগাইর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেল খান, আলা উদ্দিন ও আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিসি মোল্লা মো. শাহীন বলেন, রায়হান কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের ঢাকা দক্ষিণের বংশাল থানাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক। গত বছর মতিঝিল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে পাঁচ মাস কারাগারে ছিল সে। সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
গ্রেপ্তারদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই তারা এসব কর্মকাণ্ড করছে। এর পেছনে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও রয়েছে। গত দুই-তিন দিনে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এরই অংশ হিসেবে যাত্রাবাড়ীতেও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
তিনি বলেন, কেন তারা এসব করেছে এবং এর পেছনে আরও কারা জড়িত, তা জানতে গ্রেপ্তারদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।
আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের সঙ্গে রায়হানের যোগাযোগ রয়েছে কি না জানতে চাইলে ডিসি বলেন, তাদের মোবাইলে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয় বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। রিমান্ডে নেওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে এক অটোরিকশাচালক আহত হন। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।