বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট সংযোজনের বাস্তবতা বিবেচনায় এ সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
বিআরটিএর চেয়ারম্যানের বিবেচ্যপত্রে বলা হয়েছে, দেশে নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ, যা মোট নিবন্ধিত মোটরযানের প্রায় ৭৪ শতাংশ।
বিষয়টি নিয়ে মোটরসাইকেল মালিকদের বিভিন্ন মতামত ও মন্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
এর আগে বিআরটিএর এক গণবিজ্ঞপ্তিতে মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন করে প্রদর্শনের জন্য ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত আরএফআইডিসহ উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব প্লেটে নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। এর পাশাপাশি মোটরসাইকেলের সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুটারের সম্মুখভাগে নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার ও প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার হতে হবে। অন্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্লেটের দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।
নম্বরপ্লেটটি স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হতে হবে। সাদা পটভূমির ওপর কালো রঙে বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে হবে। এতে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা নকশা ব্যবহার করা যাবে না। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নিবন্ধন নম্বর একটি আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে মোটরসাইকেল মালিকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব শর্ত মেনে সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজন করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংযোজন না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি প্রস্তাব আকারে এসেছে।