উভয় দেশের মধ্যে মাদকদ্রব্য চোরাচালান প্রতিরোধে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনার লক্ষ্যে বিদ্যমান মেকানিজমের আওতায় বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো-এর মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যার পরবর্তী বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।
খলিলুর রহমান বলন, ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার আন্তরিক। তবে সেটা অবশ্যই সমমর্যাদার ভিত্তিতে হতে হবে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশি জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও বৈধপথে ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি আলোচনার ভিত্তিতে এগিয়ে নেয়ার ব্যাপারে সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা সার্ক ও বিমসটেক কাঠামো এবং বিবিআইএন-এর মতো উপ-আঞ্চলিক উদ্যোগের আওতায় শুদ্ধ ও অশুদ্ধ বাধা হ্রাসে, পণ্য সরবরাহ ও সার্ভিস সহজ করে ভারতে রপ্তানি বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি। একই সাথে মানসম্মতকরণ, কাস্টমস সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তির মাধ্যমে সীমান্ত বাণিজ্য সহজীকরণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।