জানা নিউজ

বাংলাদেশের সামনে ১৮২ রানের দেয়াল তুলে দিল নিউজিল্যান্ড

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছে নিউজিল্যান্ড। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান তুলে নিউজিল্যান্ড।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য সহজ ছিল না সফরকারীদের জন্য। দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায় তারা।

তানজিম হাসানের বলে দ্রুত রান নিতে গিয়ে দ্বিধায় পড়েন টিম রবিনসন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাওহীদ হৃদয়ের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি।
কোনো রান না করেই সাজঘরে ফিরতে হয় এই ওপেনারকে।  প্রথম ওভার থেকেই অবশ্য আগ্রাসী ছিলেন কাটেনে ক্লার্ক। শরিফুল ইসলামের করা ম্যাচের প্রথম ওভারেই দুটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১১ রান তুলে নেন তিনি। এরপর ক্রিজে এসে ক্লেভারও যোগ দেন রান তোলার মিছিলে। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় নিউজিল্যান্ড। নিয়মিত বাউন্ডারিতে দ্রুত বাড়তে থাকে রান। এই সময় একটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ।এরপর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন দুই ব্যাটার। মাত্র ২৮ বলেই দ্বিতীয় উইকেটে গড়ে ওঠে পঞ্চাশ রানের জুটি। 
তবে সুযোগ হাতছাড়া করার খেসারত দিতে হয় বাংলাদেশকে। ইনিংসের দশম ওভারের আগেই আরেকটি সহজ ক্যাচ ফেলেন সাইফ হাসান, জীবন পেয়ে আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠেন ক্লার্ক। তবে ক্লেভারের ফিফটির পর তাকে ফিরিয়ে দেন রিশাদ। টাইগার শিবিরেও স্বস্তি দেখা যায়।

ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে দ্রুত রান তুলতে গিয়ে বিপদে পড়ে নিউজিল্যান্ড। ১৩তম ওভারে তানজিম হাসানের বোলিংয়ে ফিরে যান বেভন জ্যাকবস। অফ স্টাম্পের বাইরে করা বল মারতে গিয়ে সীমানায় ধরা পড়েন তিনি। মাত্র ২ বলে ১ রান করেন এই ব্যাটার।

এরপর ডিন ফক্সক্রফটকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি শেখ মেহেদি হাসান। আগের ম্যাচে ঝড় তোলা এই অলরাউন্ডার এবার আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে বোল্ড হন। ৭ বলে ৩ রান করে ফেরেন তিনি। তবে এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক নিক কেলি। ১৬তম ওভারে রিশাদের বলে এলবিডব্লিউয়ের জোরালো আবেদন হলেও আম্পায়ার্স কলে বেঁচে যান তিনি।

এরপর হঠাৎই কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় খেলা। মাঝপথে ফ্লাডলাইটের বিভ্রাটে ১৬.৩ ওভারে ম্যাচ থেমে যায়।

খেলা পুনরায় শুরু হলে দ্রুতই আরেকটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। নিজের শেষ ওভারে শরিফুল ইসলামের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন কেলি। তানজিম হাসান সহজ ক্যাচটি নেন। ২৭ বলে ৩৯ রান করে ফেরেন কিউই অধিনায়ক। তার বিদায়ে ভাঙে ১৭ বলে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

শেষদিকে জশ ক্লার্কসনের সঙ্গে অভিষিক্ত ন্যাথান স্মিথ ব্যাটিংয়ে থাকেন। উইকেট হারালেও রান তোলার গতি ধরে রেখে ২০ ওভার শেষে ১৮২ রান তুলে শক্ত অবস্থানে নিউজিল্যান্ড।