তৃতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১৬১ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিনের দুর্দান্ত ১০৪ রানের শতকে ভর করে ম্যাচে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দিয়েছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে থামিয়ে দিয়ে জয়ের লক্ষ্য নিজেদের নাগালের মধ্যে (মাত্র ৫৭ রান) আটকে রাখে বাংলাদেশ।
দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে স্মিথ বলেন, ‘আমাদের কয়েকজন ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেনি। গ্রিন সত্যিই চমৎকার খেলে একটি সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছিল, কিন্তু তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার মতো কোনো সঙ্গী ছিল না।’
দ্বিতীয় ইনিংসে স্মিথ নিজে ৪৪ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে আউট হন, যিনি ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করেন। অস্ট্রেলিয়ার এই সাবেক অধিনায়ক মনে করেন, সফরকারীদের চাপে ফেলতে হলে দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের লিড আরও অনেক বড় হওয়া প্রয়োজন ছিল।
তিনি বলেন, ‘ম্যাচে লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য আমাদের অন্তত ২০০ বা তার বেশি রানের লিড দরকার ছিল।’
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৪.২ ওভারেই ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য টপকে যায় বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের সোনালী ইতিহাস রচনা করে।
এমন বড় পরাজয় সত্ত্বেও টেস্ট র্যাংকিংয়ের শীর্ষ দল হিসেবে একটি মাত্র বাজে ফলের কারণে অতিরিক্ত উদ্বেগের কিছু দেখছেন না স্মিথ।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি এটি কেবল একটি খারাপ সপ্তাহ ছিল। আমরা কোনো কারণ ছাড়াই বিশ্বের এক নম্বর দল নই। দীর্ঘ সময় ধরে আমরা ধারাবাহিকভাবে দারুণ ক্রিকেট খেলে আসছি, আর এই সপ্তাহটি ছিল কেবল একটি ছোট ছন্দপতন।’
তবে নিজেদের ঘাটতির কথা তুলে ধরার পাশাপাশি দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য বাংলাদেশ দলকে পূর্ণ কৃতিত্ব দিয়েছেন স্মিথ।
তিনি যোগ করেন, ‘আমরা অনেক কিছুই আরও ভালো করতে পারতাম। তবে গত চার দিন ধরে তারা যেভাবে খেলেছে, তার জন্য পুরো কৃতিত্ব তাদেরই প্রাপ্য।’