রাজনীতি ও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর বলেন, ‘কেউ লং মার্চ বা শর্ট মার্চ করুক কিংবা কথায় কথায় হুমকি দিক, আবার কেউ দেশে ফিরতে চাইলে তাতে বাধা নেই। আমরা তো চাই, উনি আসুন এবং এসে আদালত কর্তৃক যেসব কার্যক্রম আছে, সেগুলোর মুখোমুখি হোন।’
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে বিগত সরকারের সমালোচনা করে গয়েশ্বর বলেন, ‘শেখ হাসিনা ভারতকে যা দিয়েছেন, অনেক দিয়েছেন। তিনি নিজেই তো বলে গেছেন, তাদের যা দিয়েছি, তা তারা আজীবন মনে রাখবে।’
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে সব ধরনের দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা রুখে দিতে জনগণকে প্রস্তুত থাকতে হবে। একই সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলকে জনকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন, বিভিন্ন অপশক্তি দেশকে কলুষিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্র রক্ষায় বর্তমান সরকারকে দেশ পরিচালনায় সময় দিয়ে বিরোধী দলগুলোর সহযোগিতা করা উচিত।প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপি)-এর চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব আহমেদুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।