গত ২০ মার্চের পর থেকেই সারাদেশে গুজবের গজব চলছেই। গুজব কন্ডে সরকারের বিদায়, শেখ হাসিনা ফিরছে, সেনা শাসন জারি, জরুরী অবস্থা শীঘ্রই, সব ক্যান্টনমেন্টকে প্রস্ততি নিতে বলেছেন সেনাপ্রধান, ২৬ মার্চ গণভবনে আসছেন শেখ হাসিনা, এবার ইউনুসের ফাঁসি হবে, সমন্বয়করা দেশের বাইরে পালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে ইত্যাদি গুজবে সায়লাব সারা দেশ, চায়ের দোকানগুলোতে এ গুজব সবচেয়ে বেশি। দেশের সাধারণ জনগনের মধ্যে বিভান্তি ছড়িয়ে বেশ কিছু মিডিয়া এমন সংবাদ চাউর করছে যেন বিশাল কিছু ঘটতে চলেছে। ড.মুহাম্মদ ইউনুসের অন্তবর্তী সরকার গঠনের পরপর এ ধরণের বহু গুজব শোনা গেছে। বাস্তবে এর কোন কিছুই ঘটেনি বা ঘটার কোন সম্ভবনা নেই। দেশের বিশিষ্টজনেরা বিষয়গুলোকে নিছক গুজব এবং একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ঘটাচ্ছে বলে মনে করেন। তাদের মতে ৬ মাস বয়সি একটি সরকারকে নানামুখি চাপে ফেলতে পতিত সরকারের সাঙ্গপাঙ্গরা একাজগুলি স্যোসাল মিডিয়ায় প্রচার করছে। সম্প্রতি বিবিসির এক সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা ড.মোহাম্মদ ইউনুস বলেছেন পার্শবর্তী দেশের সাথে বর্তমান সরকার সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করলেও তারা মিডিয়ার মাধ্যমে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিবিসি সংবাদিক প্রশ্ন করেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা কর্মীরা ন্যায় বিচার পাচ্ছেননা এ বিষয়ে আপনার মতামত কি? উত্তরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিভিন্ন সমস্যা থাকলে ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্টদের সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা করবে, তা না করে তারা আপনাদের সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ দিচ্ছে, তিনি পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, কেউ যদি অন্যায়ের শিকার হন সেতো বিচারালয়ে যাবে, সেখানে না গিয়ে আপনাদের কাছে কেন? সেখানে ন্য়ায় বিচার না পেলে তিনি সেটা বলতে পারেন ? সেখানে না গিয়ে মিডিয়ায় কেন? জুলাই আগষ্টের অভ্যুথানে অংশগ্রহনকারী বিভিন্ন দল ,ছাত্র জনতা মনে করেন এগুলো পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও তার মদদপুষ্ট লোকদের কাজ। সকল প্রকার গুজব থেকে গণমাধ্যমকে ভূমিকা পালন করার অনুরোধ তাদের।