এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭২ রানের জবাবে ২৪৫ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন সাদমান ইসলাম। ১০৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন এই ওপেনার। এ ছাড়া তাওহীদ হৃদয় ৪২, মুমিনুল হক ২৮ এবং লিটন দাস অপরাজিত ৩৪ রান করেন।
২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা সাদমান ১৩ রান করে রোস্টন চেজের শিকার হন। এরপর কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। ১০ রান করে চেজের বলে আউট হন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। হৃদয়ও ফেরেন শূন্য রানে।
মাত্র ১৩ ওভারে ৩৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। এরপর লিটন দাস ও জাকের আলী অনিককে ফিরিয়ে বাংলাদেশের বিপদ আরও বাড়ান চেজ ও জোমেল ওয়ারিকান। ৫৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
দল যখন বড় বিপর্যয়ে, তখন হাল ধরার চেষ্টা করেন অনিক ও নাঈম। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিনের শেষ পর্যন্ত আর কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। দিন শেষে জাকের ১৮ এবং নাঈম ১৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। তাদের প্রতিরোধে ২৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে স্বাগতিকরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল চেজ। তিনি নিয়েছেন ৩ উইকেট। জোমেল ওয়ারিকানের শিকার ২ উইকেট এবং শামার জোসেফ নিয়েছেন একটি উইকেট।
তৃতীয় দিনের শেষভাগে আলোকস্বল্পতার কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি বিবেচনায় আম্পায়াররা দিনের খেলা শেষ করার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে পাওয়া ২৭ রানের লিড যোগ করে সব মিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে ১০৬ রানে এগিয়ে রয়েছে স্বাগতিকরা।