চলতি সেপ্টেম্বর মাসের বেতনের সঙ্গেই সরকারি চাকরিজীবীদের হাতে বর্ধিত অর্থ পৌঁছানোর সম্ভাবনা কিছুটা কম। সবকিছু ঠিক থাকলে হয়তো আগামী নভেম্বর মাস থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন স্কেলের বাড়ানো বেতন পেতে শুরু করবেন।
অর্থ বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতার তথ্য আইবাস প্লাস প্লাস সফটওয়্যারে এন্ট্রি দিতে হয়। প্রতি মাসের ২০ তারিখের মধ্যে এ তথ্য পাঠাতে হয়। ইতোমধ্যে অধিকাংশ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতার তথ্য সাবমিট করেছেন। অনেকে আগামীকাল রবিবার পাঠাবেন। সে হিসেবে সেপ্টেম্বরে বর্ধিত বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আগামীকাল রোববার পর্যন্ত বেতনের তথ্য আইবাসে পাঠানোর সময়সীমা রয়েছে। সরকার চাইলে সেপ্টেম্বর থেকেই বর্ধিত বেতন দিতে পারে। তবে এই সম্ভাবনা কম। নভেম্বরে গিয়ে অর্থাৎ অক্টোবরের মাস থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বর্ধিত বেতন পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।’
নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ম ও তার ওপরের গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন স্কেলের বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হাতে পাবেন। অন্যদিকে, একই সময়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা এই বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে সুবিধা পাবেন।
সরকারের দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, এই বাড়তি টাকা হিসাব করা হবে গত ৩০ জুন তারা যে বেতন পেয়েছেন তার ওপর ভিত্তি করে।
এরপর দ্বিতীয় ধাপে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ৯ম ও তার ওপরের গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন স্কেলের বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পেতে থাকবেন। আর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনকাঠামোর এই সুবিধা পুরোপুরি অর্থাৎ শতভাগ কার্যকর হয়ে যাবে।