জানা নিউজ

জামায়াতের এমপিদের আসনেই কৃত্রিম সার সংকট দেখা গিয়েছিল: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যে অঞ্চলগুলোতে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে, সেখানে সারের কোনো সংকট হয়নি, সার নিয়ে কোনো আন্দোলনও হয়নি। জামায়াতের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আসনগুলোতেই কৃত্রিম সার সংকট দেখা গিয়েছিল।

 বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২৬) দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো কুড়িগ্রাম সফরে এসে জেলা সার্কিট হাউজে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে একথা বলেন তিনি।  এর আগে সেখানে পৌঁছালে পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহমুদুল হক চৌধুরী ডন এবং লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক মমিনুল ইসলাম।

এসময় কুড়িগ্রামসহ সারাদেশে সারের সংকট নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কুড়িগ্রাম জেলায় সারের সংকট নিয়ে বহু নিউজ আমরা দেখেছি।

কিন্তু সারের সংকট যে সময় বলা হয়েছিল, সেসময় কোথাও কোনো সারের সংকট ছিল না। কৃত্রিম সার সংকট সৃষ্টির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল ও ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় নিয়োগকৃত কিছু ডিলার যুক্ত ছিল।
তিনি আরও জানান, সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দুর্নীতি রোধে নতুন করে সরকার সব ইউনিয়ন থেকে একজন করে সার ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি দেশে সারের চাহিদার চেয়ে দেড়গুণ বেশি সার আমদানির প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই গ্রহণ করেছে সরকার।

নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে মীর শাহে আলম বলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে এবং ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন সমাপ্ত করা হবে। এই নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি সরকার নেবে না।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল নিয়ে বিরোধীদলের আন্দোলনের তীব্র সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল নিয়ে বিরোধীদলের কর্মসূচির নাম হওয়া উচিত ছিলো ‘রোড মার্চ’। কারণ লং মার্চ হয় পায়ে হেঁটে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “বিরোধীদলীয় নেতা নিজেও স্বীকার করেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সমস্যা বিএনপি সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। তা সত্ত্বেও, এই সাময়িক বিদ্যুৎ ঘাটতির জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।”