এরপর থেকেই ভারত থেকে ইলিশ আমদানির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
কয়েকজন আমদানিকারক ইতোমধ্যে ভারতীয় অংশে ইলিশ কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলেন।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মতিয়ার রহমান বলেন, ইলিশ আমদানির জন্য ব্যবসায়ীরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।
অনাপত্তি সনদ পাওয়ার পর ভারতীয় অংশে মাছ কেনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়।
এখন হঠাৎ করে সনদ বাতিল করে আমদানি বন্ধ হওয়ায় আমদানিকারকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
মতিয়ার রহমান বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমদানিকারকদের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
যারা অনুমোদনের ভিত্তিতে ইলিশ কেনার প্রস্তুতি নিয়েছেন বা ইতোমধ্যে মাছ কিনেছেন, আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের বিনিয়োগ আটকে যাচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের একটি চিঠি তাদের কাছে এসেছে।
ওই চিঠিতে অনেকগুলো অনাপত্তি সনদ বাতিলের কথা জানানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর ভারত থেকে ইলিশ আমদানির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
জিয়াউর রহমান বলেন, ইলিশ আমদানির সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা এ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন। যারা আমদানির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তাদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
ইলিশ আমদানিকারক রফিকউল্লাহ বলেন, অনুমোদন পাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা ভারতীয় অংশে ইলিশ কেনার প্রস্তুতি নেন।
অনেকেই ইতোমধ্যে মাছ কেনার জন্য অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। হঠাৎ করে অনাপত্তি সনদ বাতিল করে আমদানি বন্ধ করে দেওয়ায় এখন তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ভারতীয় বাজারে কেনা ইলিশ সময়মতো বাংলাদেশে আনতে না পারলে কম দামে ফেরত দিতে হবে।
এতে মাছের দামের পাশাপাশি পরিবহন ও অন্যান্য খরচও লোকসানে পরিণত হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ হওয়ার ফলে শুধু আমদানিকারকরাই নন, সংশ্লিষ্ট পরিবহন, কাস্টমস ক্লিয়ারিংসহ অন্যান্য ব্যবসাও এর প্রভাব পড়তে পারে।