প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যক্তি আমানতকারীরা ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে টাকা উত্তোলনের আবেদন করতে পারবেন। আবেদন যাচাই শেষে ৭ সেপ্টেম্বর থেকে আমানতের মূল টাকা এককালীন উত্তোলন বা নগদায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। আল-ওয়াদিয়া চলতি হিসাব, মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাব, এমটিডিআর ও ডিপিএসসহ বিভিন্ন হিসাব থেকে গ্রাহকেরা মূল টাকা তুলতে পারবেন। তবে এককালীন মূল টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে কোনো মুনাফা দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, হিসাব বন্ধ না করে চালু রাখলে চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হারে মুনাফা পাওয়া যাবে। ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে মুনাফাসহ যেকোনো পরিমাণ অর্থ জমা ও উত্তোলনের সুযোগ মিলবে। এর আগে গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক রেজল্যুশন ডিপার্টমেন্ট আমানতকারীদের অর্থ উত্তোলন সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে।
একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকে প্রায় ৭৬ লাখ আমানতকারীর মোট ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার আমানত রয়েছে, যার মধ্যে ব্যক্তি আমানতকারীদের সঞ্চয়ী হিসাবে রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। এই ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের প্রায় ৮৬ শতাংশই খেলাপি। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সরকারি মালিকানায় যাত্রা শুরু করা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা।