জানা নিউজ

সহিংসতায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মব সহিংসতায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সহিংসতা বা গণপিটুনির ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মব সহিংসতায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুসরণ করছে। অপরাধের বিচার করার একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কেবল রাষ্ট্রের।

আইনি প্রক্রিয়া ব্যতীত কাউকে সাজা দেওয়া বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দেশে মব সহিংসতা ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা প্রতিরোধে এবং আইনের শাসন জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
 মন্ত্রী বলেন, সহিংসতা বা গণপিটুনির ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে; সহিংসতা ছড়াতে পারে এমন সন্দেহভাজন এলাকাগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি ও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে; জননিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান টহল জোরদারের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হচ্ছে; গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে অপরাধী শনাক্ত ও তাদের আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত আছে; কোনো উগ্রতা যাতে মাথা চাড়া দিতে না পারে সে লক্ষ্যে এলাকার মসজিদ, মন্দির, গির্জা ইত্যাদি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।এ ছাড়া ফেসবুক, টুইটারসহ অন্যান্য জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটসমূহে কেউ যাতে গুজব ছড়িয়ে কোনো প্রকার মব সহিংসতা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে তা মনিটর করা হচ্ছে; বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে মব সহিংসতা প্রতিরোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।