বৈঠকে আরও বলা হয়, রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা সঠিক নয়। তারা নিজস্ব জাতিগত পরিচয়সম্পন্ন একটি জনগোষ্ঠী, যা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষও সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত স্বীকার করে এসেছে।
বাংলাদেশের উদ্বেগ ও পর্যবেক্ষণ নিজ সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মো। তিনি বলেন, যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে যাচাইকৃত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়ে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়, রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হলো রাখাইনে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা।