এ ছাড়া ২০২৪ সালে ২৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২৯৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল।
২০২২ সালে ২৬৬ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫সহ শতভাগ পাস করেছিল।
শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও অভিভাবকদের পরিশ্রমের ফল
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী তাজরিয়ান হোসেন মুন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, বাবা-মা ও শিক্ষকদের পরিশ্রমের কারণেই আমার এই ফলাফল। এ ছাড়া আমি একটি ক্লাসও মিস করিনি। কোনো পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট বাদ দিইনি। তাই নিয়মিত চর্চা হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়ে খুব ভালো লাগছে। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া।
নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বরাবরই ভালো ফলাফল করে আসছে। এবার শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে দেশসেরা ফলাফলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে। সারাদেশের সার্বিক ফলাফল বিশ্লেষণ করলে আশা করছি, আমরা দেশসেরা অবস্থানে থাকব।
তিনি বলেন, মূলত নরসিংদীর মতো মফস্বল শহরে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়েই আমি ও আমার সহধর্মিণী নাসিমা বেগম স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। আমি সবসময় চেয়েছি, সুশিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানবসম্পদে পরিণত হোক। যাতে আমাদের সমাজে সার্টিফিকেটধারী শিক্ষিত বেকার তৈরি না হয়।
আবদুল কাদির মোল্লা আরও বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চারটি স্তম্ভ—পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক। আমাদের ভালো ফলাফলের মূল কারণ হলো, আমরা একে অপরের কাছ থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন হতে দিই না।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন বলেন, একটি বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফলের মূলমন্ত্র হচ্ছে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয়। আর আমাদের মূলমন্ত্র হচ্ছেন আবদুল কাদির মোল্লা স্যার। তাঁর উদ্ভাবনী চিন্তা-চেতনা ও সময়োপযোগী সঠিক দিকনির্দেশনায় আমাদের এই ফলাফল অব্যাহত আছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এত কঠোর পরিশ্রম করেন যে ভালো ফলাফল করতে তারা বাধ্য। আমরা শুধু একাডেমিক ফলাফলে নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও দেশসেরা অর্জন করে আসছি।