অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের মেরিটাইম ও ডিফেন্সসহ অনেক জায়গাতেই সহযোগিতা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য যেকোনো দেশের প্রতিনিধিদল যখন বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে আসে, আমরা অবশ্যই তাদের স্বাগত জানাই। তারা এসেছেন এবং মিটিং করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার জন্যই তারা এসেছেন।
ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র যেমন বিভিন্ন দেশের সাথে সামরিক মহড়া করছে, এটি কি তারই অংশ, এমন প্রশ্নের উত্তরে শামা ওবায়েদ বলেন, হতে পারে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এটি আমাদের একটি চলমান প্রক্রিয়া। ইন্দো-প্যাসিফিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং বাংলাদেশ সবসময়ই এর অংশ। তাই তারা আসবেন, তাদের কাজ করবেন। তাদের সাথে আমাদের চলমান সংলাপ অতীতেও হয়েছে, এখনো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রতিমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, ডোনাল্ড লু’র সফরে আপনাদের এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে ‘বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা’ (সিভিল নিউক্লিয়ার কো-অপারেশন)-এর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। তারা এই চুক্তিতে আমাদের সাথে ছিল এবং সামনে আরও এগোতে চায়। এ বিষয়ে সরকারের ভাবনা কী?
জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের ভাবনা ইতিবাচক। আবারও বলছি, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের যেকোনো দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বা সম্পর্ক যদি বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে হয়, তবে আমরা সামনে এগোব। আর যদি তা দেশের মানুষের স্বার্থে না হয়, তবে আমরা সেটি করব না। এটি যদি আমাদের অর্থনীতি ও সম্পর্ক উন্নয়নে ভালো কিছু বয়ে আনে, তবে আমরা অবশ্যই তা করব।