ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে দ্রুত রান তুলতে গিয়ে বিপদে পড়ে নিউজিল্যান্ড। ১৩তম ওভারে তানজিম হাসানের বোলিংয়ে ফিরে যান বেভন জ্যাকবস। অফ স্টাম্পের বাইরে করা বল মারতে গিয়ে সীমানায় ধরা পড়েন তিনি। মাত্র ২ বলে ১ রান করেন এই ব্যাটার।
এরপর ডিন ফক্সক্রফটকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি শেখ মেহেদি হাসান। আগের ম্যাচে ঝড় তোলা এই অলরাউন্ডার এবার আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে বোল্ড হন। ৭ বলে ৩ রান করে ফেরেন তিনি। তবে এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক নিক কেলি। ১৬তম ওভারে রিশাদের বলে এলবিডব্লিউয়ের জোরালো আবেদন হলেও আম্পায়ার্স কলে বেঁচে যান তিনি।
এরপর হঠাৎই কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় খেলা। মাঝপথে ফ্লাডলাইটের বিভ্রাটে ১৬.৩ ওভারে ম্যাচ থেমে যায়।
খেলা পুনরায় শুরু হলে দ্রুতই আরেকটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। নিজের শেষ ওভারে শরিফুল ইসলামের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন কেলি। তানজিম হাসান সহজ ক্যাচটি নেন। ২৭ বলে ৩৯ রান করে ফেরেন কিউই অধিনায়ক। তার বিদায়ে ভাঙে ১৭ বলে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
শেষদিকে জশ ক্লার্কসনের সঙ্গে অভিষিক্ত ন্যাথান স্মিথ ব্যাটিংয়ে থাকেন। উইকেট হারালেও রান তোলার গতি ধরে রেখে ২০ ওভার শেষে ১৮২ রান তুলে শক্ত অবস্থানে নিউজিল্যান্ড।