মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি মানচিত্রে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে কাতারের অন্যতম প্রধান গ্যাস শিল্পাঞ্চল রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে হামলার ঘটনায়। অল্প সময়ের ব্যবধানে অন্তত দুই দফা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, এই হামলার প্রভাব শুধু কাতারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নির্ভর দেশগুলোতে, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে।বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানিকারক দেশ কাতারের প্রধান রপ্তানি কেন্দ্র হলো রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। এখান থেকেই দেশটির অধিকাংশ গ্যাস প্রক্রিয়াজাত ও জাহাজীকরণের কাজ সম্পন্ন হয়। বৈশ্বিক এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কাতার থেকে আসে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এরই মধ্যে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথ হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়ায় মার্চের শুরু থেকেই ওই অঞ্চলে জ্বালানি পরিবহন ও উৎপাদনে ব্যাঘাত দেখা দিয়েছিল।