জানা নিউজ

ফুজাইরায় ড্রোন-ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, তেহরানে বিস্ফোরণ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। ইরানের রাজধানী তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ইসরায়েলের প্রাণকেন্দ্রে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা শিল্পাঞ্চলে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।

আল জাজিরা তাদের লাইভ আপডেট প্রোগ্রামে জানিয়েছে, ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে বড় ধরনের বিমান হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পরই তেহরানের কেন্দ্রস্থলে বেশ কিছু বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।

এদিকে ইরানে টানা ১৭ দিন ধরে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। নেটব্লকস জানিয়েছে, ভিপিএন সেবা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সাধারণ ব্যবহারকারীসহ সরকারি অনেক সেবাও এখন অফলাইনে রয়েছে।অপরদিকে, ইরানের ছোড়া বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২’র তথ্যমতে, তেল আবিবের নিকটবর্তী শোহাম, রিশন লেজিয়ন, লোদ এবং নেস জিওনা এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে।

হিব্রু দৈনিক হারেৎজ ও টাইমস অফ ইসরায়েল জানিয়েছে, অন্তত দুটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা শিল্পাঞ্চলে ড্রোন হামলায় একটি বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। আমিরাত মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, সিভিল ডিফেন্সের একাধিক টিম আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

এখন পর্যন্ত সেখানে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। সম্প্রতিই ইরান ফুজাইরা থেকে সেখানকার লোকজনকে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল ইরান। এদিকে লোহিত সাগরে মোতায়েন মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে সরাসরি হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি বলেছেন, এই রণতরীর উপস্থিতি ইরানের জন্য বড় হুমকি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই রণতরী বহরের সব লজিস্টিক ও সাপোর্ট সেন্টার এখন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু বা ‘টার্গেট’ হিসেবে বিবেচিত হবে।