জানা নিউজ

সালাহ ও রবার্টসনের দাপটে এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুল

উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিভারপুল। দ্বিতীয়ার্ধে অ্যান্ডি রবার্টসনের গোল ও অ্যাসিস্টে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। পরে কার্টিস জোন্সের গোল নিশ্চিত করে দেয় আর্নে স্লটের দলের জয়।

শুক্রবার (৭ মার্চ) উলভসের মাঠ মোলিনিউ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। তবে বিরতির পর আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় লিভারপুল।

প্রিমিয়ার লিগে কয়েক দিন আগেই উলভসের কাছে হারের হতাশা ছিল লিভারপুলের জন্য বড় চাপ। সেই পরাজয়ের জবাব দিতে মরিয়া ছিল অলরেডরা। এফএ কাপের নকআউট লড়াই হওয়ায় ম্যাচটি ছিল তাদের জন্য বাঁচা মরার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সেই চাপ ঝেড়ে ফেলে লিভারপুল। ৫১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো নিচু শটে দলকে এগিয়ে দেন স্কটিশ ডিফেন্ডার অ্যান্ডি রবার্টসন। চলতি মৌসুমে এটি তার দ্বিতীয় গোল।

গোলের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবারও বিপদে পড়ে উলভস। ৫৩ মিনিটে রবার্টসনের নিখুঁত ক্রস থেকে ছয় গজ বক্সে বল পেয়ে জালে পাঠান মোহাম্মদ সালাহ। প্রথমে অফসাইডের সংকেত উঠলেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির পরীক্ষার পর গোলটি বহাল থাকে।

ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান কার্টিস জোন্স। বক্সের প্রান্ত থেকে নেওয়া তার বাঁকানো শটে তৃতীয় গোল পায় লিভারপুল। শেষ দিকে ইনজুরি সময়ে উলভসের হয়ে সান্ত্বনাসূচক গোল করেন হোয়াং হি চ্যান। তবে ততক্ষণে ম্যাচের ভাগ্য প্রায় নির্ধারিত হয়ে গেছে।

ম্যাচ শেষে পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন অ্যান্ডি রবার্টসন। তিনি বলেন, “আজকের পারফরম্যান্স আগের ম্যাচের চেয়ে অনেক ভালো ছিল। আমরা জানি কয়েক দিন আগে নিজেদের হতাশ করেছি। তাই সেটি ঠিক করা আমাদের দায়িত্ব ছিল। এফএ কাপ মানেই বাঁচা মরার লড়াই।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা সব প্রতিযোগিতাতেই লড়াই চালিয়ে যেতে চাই। এখনো দুটি কাপ প্রতিযোগিতায় টিকে আছি। আজকের মতো খেলতে পারলে আমাদের বিপক্ষে খেলতে চাইবে না কেউ। তবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

এই জয়ের ফলে এফএ কাপের শেষ আটে জায়গা করে নিল লিভারপুল। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচগুলো। বাকি সাতটি দলের ভাগ্য নির্ধারণ হবে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে।