ইশতেহারের সংক্ষিপ্ত বিবিরনী পড়ে শোনালেন তারেক রহমান
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, পেপালসহ প্রধান ৯ প্রতিশ্রুতি, দুর্ীতি প্রতিরোধ সুসাশন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার
১. পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া: প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ দরিদ্র গ্রামীণ পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এই কার্ড মূলত পরিবারের নারী প্রধান যথা আমাদের মা ও বোনদের নামে ইস্যু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি পরিবারকে বিএনপি সরকার দেবে প্রতি মাসে ২০০০-২৫০০ টাকার আর্থিক সহায়তা অথবা খাদ্য সুবিধা যথা: চাল, ডাল, তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। অর্থ সেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে।
৭. ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বাস্তবায়ন: নারীর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নারী নির্যাতন, যৌতুক প্রথা, এসিড নিক্ষেপ, যৌন হয়রানি, ধর্ষণ, নারী ও শিশু পাচাররোধে কঠোর কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ধর্ষক ও নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
৮. ইউনিয়ন পর্যায়ে বিশেষায়িত ‘নারী সাপোর্ট সেল’ প্রতিষ্ঠা: ইউনিয়ন পর্যায়ে নারীদের জন্য বিশেষায়িত ‘নারী কল্যাণ কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এসব কেন্দ্রে নারী চিকিৎসক, আইনজীবী এবং মানবাধিকার কর্মীরা ভুক্তভোগী নারীদের প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বিত সহায়তা দেবেন।
৯. নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক ও দক্ষতা সহায়তা দেওয়া: স্বনির্ভরতা বাড়াতে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পে যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের বিনা সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা ও কর ছাড় দেওয়া হবে। তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং ডেভেলপমেন্ট ও মার্কেটিং সাপোর্ট দেওয়া হবে।
১০. আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক খাতে নারী কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকরণ: শিক্ষা ও দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক খাতে নারীর কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ করা হবে। নারীদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর মাধ্যমে পারিবারিক সচ্ছলতা বাড়ানো ও সন্তানদের শিক্ষা এবং দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ সুগম করা সম্ভব হবে।
১১. কর্মস্থলে ‘ডে-কেয়ার’ ও ‘ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’ স্থাপন: নারীদের কর্মস্থলে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র (ডে-কেয়ার) স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি গার্মেন্টসসহ সব শিল্প কারখানা, অফিস ও আদালতে কর্মরত মায়েদের জন্য ‘ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’ স্থাপন করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেখানে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে মা তার নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন।
১২. স্বাস্থ্য ও হাইজিনের জন্য ‘ভেন্ডিং মেশিন’ স্থাপন: মাধ্যমিক, মাদরাসাসহ সব সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেনেটারি ন্যাপকিনের ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে এই সেবা সব সরকারি-বেসরকারি শিল্প ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিস্তৃত করা হবে।