ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খারগ দ্বীপের কাছের মার্কিন হামলার হত্যা নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে দেশটির মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে পরিচালিত হতো।
ইরানের দাবি, তারা মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে এবং হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গারগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে।
এ ছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ডিডিজি-১১৯ এবং ডিডিজি-৫৩ ডেস্ট্রয়ারের ওপর ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলার দাবি করে আইআরজিসি জানায়, হামলায় জাহাজগুলোর মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে আরও জানায়, তাদের নৌবাহিনী এ অঞ্চলের ২টি মার্কিন জলযান ও ৮টি ট্যাংকে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে সেগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
এদিকে জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল মোকাবিলা করেছে এবং এর মধ্যে ১৮টিকে সফলভাবে প্রতিহত করে ধ্বংস করেছে। দুটি মিসাইল জনমানবহীন এলাকায় পড়েছে।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলী আবদুল্লাহি সতর্ক করে বলেছেন, ইরানি ট্যাংকে হামলা চালানো হলে তেহরান এ অঞ্চলের সর্বত্র মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালাবে।