বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আপিল বিভাগের রায়ের পর তিনি এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
এর আগে ২০১৭ সালে ৫০% চাকরিকাল গণনা করে গ্রেডেশন তালিকা প্রণয়ন করে জ্যেষ্ঠতা দেওয়া, প্রধান শিক্ষক হিসেবে পে স্কেল প্রাপ্তি এবং নানাবিধ আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধা দেওয়ার দাবিতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সেই রিটে হাইকোর্ট রুল দেন। সেই রুলের শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট রুল আংশিক মঞ্জুর করেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। বৃহস্পতিবার সেই আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ।