মাত্র ৩মিনিট ২১ সেকেন্ডে যমুনা সেতু পার হলো ট্রেন। নবনির্মিত যমুনা রেলসেতুটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে পারাপারের পাশাপাশি ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। যাত্রীদের সময় বাঁচানো, পরিবহন খরচ কমানো এবং মহাসড়কের ওপর চাপ কমানোর মাধ্যমে এটি আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ১২টা ৯ মিনিটে টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর ইব্রাহিমাবাদ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনটি শ্লথ গতিতে ছেড়ে যায়। তবে সেতুর ওপর উঠেই গতি বাড়িয়ে ১০০ কিলোমিটার করা হয়। যমুনা রেলসেতুর প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মাসুদুর রহমান বলেন, উদ্বোধনী ট্রেনটি পার হতে ৩ মিনিট ২১ সেকেন্ড সময় লেগেছে। কিন্তু তার আগে ট্রায়াল ট্রেনে ২ থেকে সোয়া ২ মিনিট লেগেছে। ফুল স্পিডে চালালে ২ মিনিটের মধ্যেই সেতু পার হবে।
সেতুর পূর্বপার স্টেশন থেকে পশ্চিমের স্টেশন পর্যন্ত ৭-৮ মিনিট সময় লাগবে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর ইব্রাহীমাবাদ স্টেশন থেকে ইঞ্জিনসহ ছয় বগির স্পেশাল ট্রেন পশ্চিমপার সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ স্টেশনে পারাপারের মধ্য দিয়ে সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী ট্রেনে প্রধান অতিথি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামসহ রেলওয়ে কর্মকর্তা, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারা ও সাংবাদিকরা যাত্রী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
দুপুর সাড়ে ১২টার সময় সয়দাবা রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকের ব্রিফিং করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যমুনা সেতু উদ্বোধন হওয়ার পর রেল সেতুর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তখন সেখানে একটি সিঙ্গেল রেললাইন যুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে সরকার অনুভব করে যমুনা সেতুর ওপর আলাদা রেলসেতু হওয়ার প্রয়োজন। সেই তাগিদ থেকেই এ প্রকল্পটি নেওয়া হয়।
প্রকল্পটির অর্থায়ন করে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)