শফিকুল ইসলাম খান বলেন, বিকল্প স্থানে যদি ৩০০ থেকে ৫০০ দোকান বসানোর ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে ক্রেতারাও সেখানে যাবেন। এতে কেনাবেচা ভালো হবে।
ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের বিষয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা বাধ্য হয়েই ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা ও হকারদের উচ্ছেদ করেছি। আজকের এই পরিস্থিতির জন্য কিছু সিন্ডিকেট ও হকাররা নিজেরাই দায়ী। তারা ফুটপাত ছেড়ে সড়ক পর্যন্ত দখল করে রেখেছিলেন। সেখানে সাধারণ মানুষের হাঁটার কোনো জায়গা ছিল না। মানুষ জানতেই পারতেন না, তাদের জন্য ফুটপাত রয়েছে।
তিনি বলেন, উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পর মানুষ বুঝতে পেরেছেন, ফুটপাত তাদের চলাচলের জন্যও রয়েছে। সাধারণ মানুষ এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাই মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১ নম্বর এলাকার ফুটপাতে আর হকারদের বসতে দেওয়া হবে না। তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে।
সাক্ষাৎকালে হকার প্রতিনিধি দল ও ডিএনসিসি প্রশাসক একমত পোষণ করেন, ৫ আগস্টের পর হকারদের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। আগে থেকে হকারি পেশায় যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য বিকল্প স্থানে বসার ব্যবস্থা করা হবে।
প্রশাসক হকার প্রতিনিধিদলকে জানান, বিকল্প স্থানে দোকানগুলোতে নিজস্ব যানচালিত ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে কোনো চৌকি বসানো যাবে না।
সাক্ষাৎকালে হকার প্রতিনিধিদল ও ডিএনসিসি প্রশাসক পরস্পরের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি একে অপরকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় গুলশান জোনের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. রুহুল কবির, গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বনানী থানার ওসিসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।