গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা হয়েছিল দাবি করে জয় আরও বলেন, ‘তাই আমার মায়ের জীবন বাঁচানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদীর সরকারের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ…।’
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে, জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থান চলাকালে এক হাজার চারশ’র বেশি মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই নিরাপত্তা বাহিনীর চালানো সামরিক অস্ত্র ও শটগানের গুলিতে মারা যান। হাজার হাজার ছাত্র-জনতা গুরুতর আহত হন। পঙ্গু হন অনেকেই। অনেকের দুই চোখ, কারো কারো এক চোখ অন্ধ হয়ে গেছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সম্প্রতি শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তার মন্ত্রিসভার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালেরও মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।
যদিও হাসিনা পলাতক থাকায় তার পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দেয় রাষ্ট্র। রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেনই বিচার প্রক্রিয়া ‘স্বচ্ছ’ ছিল এবং তিনি ‘চাপহীন দায়িত্ব পালন করেছেন’ বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন।
মায়ের উল্টো সুর জয়ের মুখে
সম্প্রতি সিএনএন-নিউজ এইটিনকে ইমেইল মারফত দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেন, তার সরকারের পতনের পেছনে আমেরিকা বা পশ্চিমা কোনো শক্তির সরাসরি ভূমিকা ছিল বলে তিনি মনে করেন না।
মায়ের সেই কথার উল্টো উচ্চারণ করেছেন জয়। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত হাসিনাপুত্র এএনআইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনকেই দোষারোপ করেন।
তিনি বলেন, ‘এ বছরের শুরুর দিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন যে আগের প্রশাসন ইউএসএআইডির মাধ্যমে বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল’।