এদিকে, ভূমিকম্পের সময় তাড়াহুড়ো করে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে যেতে গিয়ে আহত হয়েছেন অন্তত তিনজন শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সোনাখালি এলাকার শফিকুল ইসলাম জানান, ভূমিকম্পে তার একমাত্র মাটির ঘরটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরের দেয়ালে ফাটল ও কিছু অংশ ধসে পড়ায় পরিবার নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন তিনি। এদিকে শ্যামনগর পৌরসভার নূর কম্পিউটার মার্কেটের পাশে অবস্থিত তালাবদ্ধ আওয়ামী লীগ অফিসের ভবনে ফাটল ধরেছে। একই এলাকার পার্শ্ববর্তী আরও কয়েকটি ভবনেও ফাটল দেখা গেছে। অপরদিকে, গাবুরা ইউনিয়নের হরিশখালি এলাকায় একটি মসজিদে ফাটল ধরার পাশাপাশি ভেতরের টাইলস খুলে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন নদীর তীরে বসবাসরতও। উপজেলার চুনকুড়ি নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা আকবর হোসেন বলেন, ‘ভূমিকম্পের সময় নদীর পানি অনেক ওপরে উঠে প্রচণ্ড ঢেউ তুলেছিল।