কোচগুলোর কাঠামোতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার গতিতে চলার উপযোগী করে এগুলো নকশা করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, যাত্রীদের নিরাপত্তায় কোচগুলোতে দুর্ঘটনার অভিঘাত মোকাবেলার বিশেষ ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জাম ও সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থা রয়েছে। পরিবেশবান্ধব বায়ো-টয়লেটের পাশাপাশি ইলেকট্রো-নিউম্যাটিক চাপযুক্ত ফ্লাশিং ব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে।
রাইটসের সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ৩০টি এবং ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর আরো ১০টি ব্রডগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সরবরাহ করে। পরে ২০১৮ সালের ১ জুন সরবরাহ করা হয় ১২০টি এলএইচবি ব্রডগেজ কোচ। এসব লোকোমোটিভ ও কোচ ভারত সরকারের ঋণসহায়তার আওতায় বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছিল।
সম্প্রতি সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, একটি প্রকল্পের আওতায় ভারত থেকে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। কোচগুলো দেশে আসার পর নতুন ট্রেনের রুট নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
রেলওয়ে সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন কোচ সরবরাহের ভিত্তিতে ঢাকা-পাবনা ও ঢাকা-খুলনা ব্রডগেজ রুটে দুটি নতুন আন্ত নগর ট্রেন চালুর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এতে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে রেল যোগাযোগ বাড়ানো এবং যাত্রীদের যাতায়াত সহজ করার সুযোগ তৈরি হবে।
সূত্রগুলো জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে যমুনা সেতু-পাবনা, ঢাকা-পদ্মা সেতু এবং খুলনা-মোংলা রেলপথসহ বেশ কয়েকটি রেলপথ চালু হয়েছে। তবে ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচের সংকটের কারণে এসব পথে পর্যাপ্ত ট্রেন চালু করা সম্ভব হয়নি। ভারত থেকে ২০০টি কোচ এলে নতুন রেলসেবা চালুর ক্ষেত্রে সেই সংকট কিছুটা কাটতে পারে।
সূত্র: কালের কণ্ঠ