জানা নিউজ

ভারতের সাথে সম্পর্ক হতে হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার আন্তরিক। তবে সেটা অবশ্যই সমমর্যাদার ভিত্তিতে হতে হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মুহাম্মাদ আব্দুল খালেকের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা জানান। এদিনের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের সাথে সীমান্ত এলাকা এবং বাণিজ্য ও যোগাযোগের সংযোগ পথসমূহ ও অত্র অঞ্চলের পুরো নিরাপত্তা, ঝুঁকিসমূহ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এমন সব বিষয় বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক মাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা করে থাকে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়সমূহ আলোচনার জন্য বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ে বছরে দুইবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা সর্বশেষ জুন, ২০২৬ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত হত্যা ও অবৈধ পুশ-ইনসহ সীমান্তে নিরাপত্তা ঝুঁকির ঘটনায় বিভিন্ন কূটনৈতিক বৈঠকে নিয়মিতভাবে আলোচনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কূটনৈতিক পত্রের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়।

এছাড়াও, এসব বিষয়ে বিজিবি স্থানীয় পর্যায়ে ভারতের বিএসএফের সাথে নিয়মিত বৈঠক করে এবং প্রয়োজনে প্রতিবাদলিপি প্রেরণ করে থাকে। 

উভয় দেশের মধ্যে মাদকদ্রব্য চোরাচালান প্রতিরোধে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনার লক্ষ্যে বিদ্যমান মেকানিজমের আওতায় বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো-এর মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যার পরবর্তী বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।

খলিলুর রহমান বলন, ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার আন্তরিক। তবে সেটা অবশ্যই সমমর্যাদার ভিত্তিতে হতে হবে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশি জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও বৈধপথে ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি আলোচনার ভিত্তিতে এগিয়ে নেয়ার ব্যাপারে সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা সার্ক ও বিমসটেক কাঠামো এবং বিবিআইএন-এর মতো উপ-আঞ্চলিক উদ্যোগের আওতায় শুদ্ধ ও অশুদ্ধ বাধা হ্রাসে, পণ্য সরবরাহ ও সার্ভিস সহজ করে ভারতে রপ্তানি বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছি। একই সাথে মানসম্মতকরণ, কাস্টমস সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তির মাধ্যমে সীমান্ত বাণিজ্য সহজীকরণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।