প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় নির্বাসনে থাকার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সক্রিয়তা তাকে এই তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে।
এছাড়া বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্বের চাপের কথাও তুলে ধরা হয়। আঞ্চলিক সম্পর্কের প্রসঙ্গে প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথাও।
তবে প্রতিবেদনে এই শতাব্দীর শুরুর দিকের পুরনো কিছু আইনি ও রাজনৈতিক বিতর্কের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও পরে সেগুলো আদালতে খারিজ হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সবশেষে বলা হয়, দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নির্বাসিত জীবন শেষে তারেক রহমান এখন দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি টাইম ম্যাগাজিনকে বলেছেন, রাজনৈতিক বিভাজন কাটিয়ে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে।
টাইমের তালিকাটি সাধারণত বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি হিসেবে প্রকাশ করে। এবার লিডার ক্যাটাগরিতে তারেক রহমানের সঙ্গে আরও স্থান পেয়েছেন পোপ লিও চতুর্দশ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ প্রমুখ।