অবশ্য ফাগানির এই ফাইনালের টিকিট পাওয়ার রাস্তাটি মোটেও সহজ ছিল না। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর গুঞ্জন অনুযায়ী, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনা ফাগানির এই সুযোগ কেড়ে নিতে পারত। কিন্তু মাঠের রেফারিংয়ে ফাগানির যে আকাশচুম্বী প্রোফাইল, তার সামনে কোনো রাজনৈতিক জটিলতাই টিকতে পারেনি। এর আগে অলিম্পিক ফাইনাল এবং একাধিক ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনাল সফলভাবে পরিচালনার অভিজ্ঞতা ফাগানিকে এই পদের জন্য অনবদ্য করে তোলে।
আগামী রোববার যখন কোটি কোটি দর্শক বিশ্বজয়ের ফাইনাল দেখতে চোখ রাখবেন, তখন মাঠের ২২ জন মহাতারকাকে সামলানোর সর্বময় ক্ষমতা থাকবে একজোড়া ইরানি চোখের ওপর। ফুটবলাররা না পারলেও, মাঠের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে ফাগানির এই উপস্থিতি ইরানের ফুটবল ইতিহাসের জন্য এক অনন্য এবং অবিস্মরণীয় গৌরব।