সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং বেগম খালেদা জিয়াকে সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানেই গণতন্ত্র, সেখানেই বিএনপি আছে’।
তিনি জানান, সরকার গঠনের পর থেকেই জুলাইয়ের আহতদের চিকিৎসা এবং শহীদ পরিবারের কর্মসংস্থান ও সহযোগিতার কাজ পর্যায়ক্রমে করে যাচ্ছে তার সরকার।
সব বিষয়ে একমত না হলেও জাতীয় ইস্যুতে ঐকমত্যের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের মানুষের স্বার্থ, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা, রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষার মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে দ্বিমত পোষণ করার কোনো কারণ নেই। সংবিধান সংশোধন বা সংস্কার নিয়ে আপনাদের বক্তব্য থাকতেই পারে। এসব ফয়সালা করার জন্যই জনগণ আমাদের সংসদে পাঠিয়েছে। সংসদে বসে আলাপ-আলোচনা ও যুক্তিতর্ক হবে।’
রাস্তা অবরোধ বা বিক্ষোভ করে মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ এখন স্থিতিশীলতা ও শান্তি চায়। দেশ এগিয়ে যাক, অবস্থার পরিবর্তন ঘটুক, এটিই মানুষের প্রত্যাশা। জনগণ চায় আগামী দিনে তাদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুদৃঢ় হোক।’