নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৭০ পয়সা এবং দূরপাল্লার বাসের ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা হয়েছে।
এর আগে জ্বালানির দাম বাড়ার পর বিআরটিএর ব্যয় বিশ্লেষণ কমিটি দূরপাল্লার বাসের ভাড়া কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১৮ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল।
বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা
নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি আদায় ঠেকাতে কঠোর মনিটরিংয়ের কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে তার বিরুদ্ধে জরিমানা ও জবাবদিহির ব্যবস্থা থাকবে। এমনকি রুট পারমিট বাতিলের বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
মন্ত্রী বলেন, গেজেটে যে ভাড়া নির্ধারণ করা হবে, সেটি মানতে সবাই বাধ্য। গতবারও ভাড়া বাড়ানোর পর নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি নেওয়া ঠেকানো হয়েছিল। এবারও তা হতে দেওয়া হবে না।
পরিবহন খাতের ব্যয় বৃদ্ধির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানির পাশাপাশি ডলারের দাম বাড়ায় গাড়ির যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও বেড়েছে। পরিবহন মালিকেরা এসব ব্যয় বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে সরকার জনস্বার্থ বিবেচনায় ভাড়া বৃদ্ধির পরিমাণ সীমিত রাখার চেষ্টা করেছে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু পরিবহন ভাড়ায় নয়, জীবনযাত্রার ব্যয়েও পড়ে। তাই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা জ্বালানির দাম বাড়ার সুযোগে অন্য খাতে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি যাতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংযত থাকতে হবে।
চলতি বছরের এপ্রিলেও জ্বালানির দাম বাড়ার পর বাসের ভাড়া কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ সমন্বয়ের আগে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের ভাড়া ছিল ২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং দূরপাল্লার বাসে ২ টাকা ২৩ পয়সা।