জানা নিউজ

পল্টনে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৪ জন রিমান্ডে

রাজধানীর পুরানা পল্টনে জড়ো হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান, মিছিল ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৪ নেতাকর্মীকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. মিরাজুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন।
 

রিমান্ডে নেওয়া আসামীরা হলেন- ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. মোস্তফা সরদার (৪১), মো. রাশেদ (২৮), ঢাকা ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রাজীব (৪০), মো. সেলিম মিঞা (৫২), আব্দুস সামাদ রনি (৪৪), মো. মমিন হাওলাদার (৩৯), মো. জিহাদ (২০), রসুলপুর ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ সদস্য মহিউদ্দিন (৩৫), যুবলীগ কর্মী মো. রাহাদ (১৯), রাতুল (২২), মো. মারুফ (১৯), মো. রায়হান (১৯), সানি (২২) ও নাজমুল হাসান হৃদয় (২০)।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আতাউর রহমান খান রুকুসহ কয়েকজন রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।
 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৪ অক্টোবর পুরানা পল্টনের আজাদ প্রোডাক্টস গলির মুখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১০০ থেকে ১২০ জন নেতাকর্মী অবৈধভাবে সমবেত হয়ে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং নাশকতার পরিকল্পনা করেন।

খবর পেয়ে পল্টন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার সহায়তায় তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হলে তাদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত, নাশকতায় অর্থায়নকারী বা গডফাদারদের চিহ্নিত এবং অস্ত্রশস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধারে আসামিদের সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি।

একই ঘটনায় জড়িত চার শিশু হওয়ায় তাদের শিশু সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।