এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম।
তিনি আরও বলেন, দেশে প্রায় তিন কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করেন। তাদের মধ্যে এক কোটি ৯২ লাখ মানুষ ধূমপান করেন। এ ছাড়া প্রায় চার কোটি মানুষ ধূমপান না করেও পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সব কর্মক্ষেত্রসহ জনসমাগমস্থল শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখা জরুরি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানেও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। তবে এ উদ্যোগের পাশাপাশি সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২৬-এর বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
বক্তারা আরও বলেন, বিধিমালা প্রণয়নে বিলম্ব হলে আইনে অন্তর্ভুক্ত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থাগুলোর সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাতে দেরি হবে। দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন করা হলে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আরও সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাবে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইন কর্মকর্তা ফেরদৌস আরাফাতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কর্তৃপক্ষের সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত পরিচালক কাউছারুল ইসলাম সিকদার এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতের সহকারী ডা. নায়লা পারভিন। এসময় আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সদস্য ও কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।