আমনের দাবি, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি এক বন্ধুকে ফোন করে মুসকানের বাড়িতে পৌঁছে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। আমন নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর আগেই মুসকানকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
তদন্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে মুসকানের সঙ্গে অভিযুক্ত ইমরানের সম্পর্কের বিষয়টি। মুসকানের বোনেরা আমনকে জানিয়েছেন, ইমরান নাকি দীর্ঘদিন ধরেই তাকে হয়রানি করতেন। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করেছেন তারা। ফলে বুধবারের হামলার পর পরিবারের সন্দেহ সরাসরি ইমরানের দিকে।
আমনের বক্তব্য অনুযায়ী, ইমরানের বিরুদ্ধে আগেও হয়রানির অভিযোগ ছিল। সেই কারণেই মুসকানের উপর হামলার খবর পাওয়ার পর তাকেই প্রধান সন্দেহভাজন বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের পূর্ণ সত্যতা এখনও তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।
জানা গেছে, পুলিশ ইতোমধ্যেই অভিযুক্তের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখছে। কী কারণে মুসকানকে খুন করা হল, অভিযুক্তের সঙ্গে তার ঠিক কী ধরনের সম্পর্ক ছিল এবং ঘটনার আগে তাদের মধ্যে কোনও কথা বা বিবাদ হয়েছিল কি না- এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।