তিনি জানান, দেশ গড়ার পরিকল্পনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পোর্টসকে বরাবরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন এবং ইশতেহারের সেই লক্ষ্য পূরণে তাদের মন্ত্রণালয় নিরলস কাজ করছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিকেল ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একযোগে সারা দেশের ৬৪ জেলায় ভার্চ্যুয়ালি এই প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
তৃণমূল থেকে সঠিক মেধা অন্বেষণের এই বিশাল কর্মযজ্ঞটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে বলে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের নিয়ে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, দাবা, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট এই আটটি জনপ্রিয় ইভেন্টে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
তৃণমূলের প্রতিভা যেন কোনোভাবেই অবমূল্যায়িত না হয়, সেজন্য পুরো দেশকে ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ এই দশটি শক্তিশালী প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি পর্যায়ে একটি নিবেদিত কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি কঠোরভাবে তদারকি করবে যাতে বাছাই প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।
প্রতিযোগিতাটি উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে ধাপে ধাপে জেলা ও বিভাগীয় স্তর পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে গড়াবে এবং আগামী ১৩ থেকে ২২শে মে’র মধ্যে আঞ্চলিক পর্বের সব খেলা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দলগত ও কোর্ট গেম যেমন ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনের প্রতিটি পর্যায়ে সরাসরি নকআউট পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।